চাপা উত্তেজনা
চাপা উত্তেজনা
প্রখর রৌদ্র
বটবৃক্ষের ছায়া চাই,
অস্থির সময়ের হাতছানি
স্থিরতার ভাষা জানা নেই।
সন্ত্রাসের হৃৎপিণ্ড
দ্বিগুন ত্বরণে কম্পিত।
বটবৃক্ষের ছায়া চাই,
অস্থির সময়ের হাতছানি
স্থিরতার ভাষা জানা নেই।
সন্ত্রাসের হৃৎপিণ্ড
দ্বিগুন ত্বরণে কম্পিত।
কলুহিত বাতাস আর কলরব
উত্তপ্ত বাক্যের প্রতিফলন।
আড্রিনালিনের ক্ষরণ কমেছে,
অসংযমী বাতাসে
উড়তে থাকে শুকনো পাতা,
দড়ি টানাটানি চলছেই।
দিনের মধ্যভাগে
বিশ্রাম চাই,
এক চিলতে শীতল ছায়ায়।
রচনাকালঃ ১৭/০৩/২০১৫
ফাঁদ
সরীসৃপের মতো এঁকে বেঁকে
চলছে
ক্রমশ সরু হয়ে যাচ্ছে মন,
দীর্ঘকাল কাটানোর সংকল্প
নিয়ে
সংকীর্ণতার ক্যানভাস
ধুলোময়।
পূর্ণীমার চাঁদে কলঙ্ক
খুঁজতে খুঁজতে
ঝাপসা হয়ে আসে স্বার্থের
দৃষ্টি।
ব্যর্থ শৃগালের মতো দীর্ঘশ্বাস
ফেলে
শরীর জুড়ানো লিকলিকে
শান্তনা,
শ্রীফল পাকলে কাকের কী!
এ
তো মুখের কথা-
মনের
ভাষা নয়,
অরণ্যের
রোদন আর লকলকে জীভ
নিবিড়
নেশায় মাতাল।
মাকড়শারা
ক্ষুদার্ত হৃদয়ে
জাল
বুনতে থাকে,
পতঙ্গের
অপেক্ষার।
রচনাকালঃ
২০/০৩/২০১৫
Comments
Post a Comment